মুমিনুলকে ডাবল সেঞ্চুরির হাতছানি

বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) শুরুর দিনই সেঞ্চুরি পেয়েছেন মুমিনুল হক। সাভারে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) চার নম্বর মাঠে ইসলামী ব্যাংক পূর্বাঞ্চলের হয়ে প্রাইম ব্যাংক দক্ষিণাঞ্চলের বিপক্ষে এই প্রতিবেদন লেখার সময় ১৬৯ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। আলোর অভাবে দিনের খেলা ৭ ওভার বাকি থাকতে থেমে গেছে। আজ হয়তো আর খেলা হবে না। কাল সকালে ডাবল সেঞ্চুরির মিশন নিয়ে মাঠে নামবেন তিনি, যদি না দল ইনিংস ঘোষণা করে দেয়।

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটি মুমিনুলের ১১তম সেঞ্চুরি। পূর্বাঞ্চলের সংগ্রহ ছিল ৫ উইকেটে ৩৪০। মুমিনুল একটিই ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন। ২০১৫-১৬ মৌসুমে বরিশালের বিপক্ষে ২৩৯ রান করেছিলেন।
পূর্বাঞ্চলের আজকের ইনিংসটা মুমিনুলময়। ৪৭ রানের মাথায় ওপেনার লিটন দাসকে হারায় পূর্বাঞ্চল। লিটনের উইকেটটি নেন জাতীয় দল থেকে সদ্য বাদ পড়া সৌম্য সরকার। মিডিয়াম পেসে লিটনকে (২০) বোল্ড করেন সৌম্য। ৮০ রানের মাথায় ৩৩ রানে ফেরেন আরেক ওপেনার ইমতিয়াজ হোসেন। তিনি বোল্ড হন সাকলাইন সজীবের বলে।
তিন নম্বরে নামা মুমিনুল এক প্রান্ত ধরে রেখে ১৮টি চার ও ২টি ছয়ে তাঁর ইনিংসটি সাজিয়েছেন। এখনো পর্যন্ত তিনি খেলেছেন ২০৭ বল। ডাবল সেঞ্চুরির আশা তো তিনি করতেই পারেন। এই মুহূর্তে তাঁকে সঙ্গ দিচ্ছেন জাকির হাসান। তাঁর সংগ্রহ ৪৭ রান। পূর্বাঞ্চলের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ইয়াসির আলী ফিরেছেন ৩৩ রানে, নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে পাঁচ বছর পর বিসিএলে ফেরা মোহাম্মদ আশরাফুল ১৩ রানে। অলক কাপালি ৩৫ বল খেলে করেছেন ১৯ রান।
দক্ষিণাঞ্চলের পক্ষে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন আবদুর রাজ্জাক ও সাকলাইন সজীব। সৌম্য পেয়েছেন একটি। দিনের অপর খেলায় সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিবি উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে খেলছে ওয়ালটন মধ্যাঞ্চল।
টসে জিতে মধ্যাঞ্চলকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় উত্তরাঞ্চল। আরিফুল হকের বোলিং তোপে মাত্র ১৮৮ রানেই গুটিয়ে গেছে মধ্যাঞ্চলের ইনিংস। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ সংগ্রহ ইরফান শুক্কুরের—৫৭। এ ছাড়া মেহরাব জুনিয়র করেছেন ২৭। ব্যাট হাতে জ্বলে উঠেছিলেন তাসকিন আহমেদ—তিনি করেছেন ৩৪।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে বিনা উইকেটে ৯৩ রানে দিন শেষ করেছেন উত্তরাঞ্চল। নাজমুল হোসেন ৪২ আর মিজানুর রহমান ৪৯ রানে অপরাজিত আছেন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *